আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনে এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী

Advertisement

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন যে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি ছিল। মন্ত্রিপরিষদের সেই উপকমিটির সুপারিশের আলোকে আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন—এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কাউকে বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুলভ্রান্তি কমিয়ে আনতে এই প্রক্রিয়ায় দুই স্তরের ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.