ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।

এদিকে ৩টি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনগুলো হলো- ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪। অপরদিকে শেরপুরের একটি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আবেদন করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে আদেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে ওই আসনগুলোর নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ওই আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছেন আদালত। অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪ শেরপুরের-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আসনগুলোর পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনা চাওয়া হয়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


