স্পোর্টস ডেস্ক : ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ সৌদি আরব। একমাত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার ২৫তম আসরের স্বাগতিক হওয়ার দৌড়ে ছিল মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি।

Advertisement

বুধবার এক ভার্চুয়াল সভায় ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে সৌদি আরবের নাম ঘোষণা করে ফিফা। গত অক্টোবরে স্বাগতিক হওয়ার লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ফলে আয়োজক হওয়ার পথে সৌদি আরবের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে যায়।

একই দিনে ফিফা আরো জানিয়েছে, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল মিলে। এছাড়া বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি করে ম্যাচ হবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে।

২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বদলে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের চেহারা। শেষ কয়েকটি আসর ৩২টি দল নিয়ে বসেছিল। যাতে বিশ্বকাপে খেলা হতো ৬৪ ম্যাচ। আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে দল বাড়ছে আরো ১৬টি, যার ফলে বাড়ছে ম্যাচের সংখ্যাও। ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপেও অংশ নেবে ৪৮টি দল।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৪৮ দলের অংশগ্রহণে ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ হবে ৫টি শহরের ১৫টি স্টেডিয়ামে, এরমধ্যে ৮টি রাজধানী রিয়াদে। ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের বিড করার পর এ ঘোষণা এলো।

ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা শুরু করেছিল সৌদি আরব। বিশেষত ফুটবলে বিশাল বাণিজ্যের বাজার ধরতে তারা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড খুলেছিল। তার অধীনে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার জুনিয়রসহ ইউরোপ মাতানো অসংখ্য ফুটবলারকে নিজেদের ক্লাবে ভিড়িয়েছে সৌদি। অবশেষে তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। সর্বশেষ ২০২২ সালের আসর বসেছিল কাতারে। সেখানে রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.