তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান দুই দিনের সফর শেষে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সফরকালে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি এবং বাংলাদেশে উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।

ঢাকা ছাড়ার আগে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক এমন এক বন্ধন, যা সংকটকালেও পারস্পরিক সংহতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। পাশাপাশি তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন।
হাকান ফিদান বলেন, সম্প্রতি নির্বাচনের পর নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করা বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং শান্তি–স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের প্রচেষ্টা তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। বাংলাদেশি জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে তুরস্ক সবসময় সমর্থন দিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে উঠছে এবং আগামী দিনে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের প্রতি ধন্যবাদ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে পুনরায় অভিনন্দন জানান।
কক্সবাজার সফরের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সংকটের টেকসই ও ন্যায্য সমাধানে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সফরের অংশ হিসেবে তিনি তুরস্ক পরিচালিত বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম ও স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে কর্মরত কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সবশেষে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ–তুরস্ক বন্ধুত্ব কঠিন সময়েও পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার এক শক্ত ভিত্তি, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



