বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, গণতন্ত্রের মানসকন্যা বেগম খালেদা জিয়া। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশে ‘সমন্বয়ের রাজনীতির’ নতুন ধারা চালু করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে এগিয়ে নেন এবং বিএনপি অত্যন্ত জনপ্রিয় দলে পরিণত হয়।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার সেন্ট্রাল কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সময়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার ‘ইমার্জিং টাইগার’ খেতাবে ভূষিত হয়। তিনি একাধারে স্বৈরশাসকের আতঙ্ক, বিএনপির জন্য একটি প্রতিষ্ঠান এবং স্বৈরাচারদের বিরুদ্ধে লড়াকু গণতন্ত্রী যোদ্ধা। বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদরোগের রোগী। শেখ হাসিনার সময়ে তাদের তৈরি মেডিক্যাল বোর্ড বারবার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা এ দেশে সম্ভব নয় জানালেও সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে দেয়নি।
এর মধ্যে খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দানের জন্য পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে ২৩ বার দরখাস্ত করা হলেও তা বাতিল করে দেয় সরকার, যাতে দেশনেত্রী বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মারা যান।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বেগম খালেদা জিয়া গত ৪ বছরের মধ্যে প্রায় ৪৭৯ দিন ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবশেষে ‘৩৬ জুলাই’ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে মুক্ত হন বেগম জিয়া এবং দেশ দানবীয় সরকারের হাত থেকে রক্ষা পায়।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপির সদস্য শামীমা বরকত লাকী, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাস, সদস্য সচিব সম্পাদক মাহফুজুল হক আবেদ, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জহির উদ্দিন হারুন, সদস্য সচিব মহসিন আলমসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



