দুর্নীতির মামলায় বরিশাল বিআরটিএ’র সাবেক সহকারী পরিচালক শাহ আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক শেখ ফারুক হোসেন তা নামঞ্জুর করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের ছবি তোলার চেষ্টা নাকচ করে শাহ আলম লাথি দেন, এবং তার স্বজনরাও ছবি তুলতে বাধা দেন।

শাহ আলম বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বরিশাল কার্যালয়ে ৩৪৪টি, ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩টি এবং পিরোজপুরে ১০৮১টি ভুয়া বাস ও ট্রাকের রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন করেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, গত ৮ বছরে বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও চট্টগ্রাম বিআরটিএতে শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ কোটি টাকার আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ২০১৪-২০১৮ সালে বরিশাল এবং ২০১৮-২০২১ সালে চট্টগ্রাম বিআরটিএতে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ আলম। এসময় তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে কয়েক হাজার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন দেন। ২০২২ সালে বরিশাল বিআরটিএয়ে যোগদানের পর মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ২৫৫টি গাড়ি, এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে আরও ৮৯টি গাড়ি ভুয়া রেজিস্ট্রেশন দেন।
বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় বিষয়টি জানার পর তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে এরপরও শাহ আলম অবৈধ রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করেননি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।

