রাজধানীর গুলশান থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ফাহিম চৌধুরীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
পরে আদালত তাকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়ে শুনানির জন্য মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিন ধার্য করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ বিষয়ে শুনানির জন্য ৩১ মার্চ দিন নির্ধারণ করেন। এ সময় পর্যন্ত আসামিকে কারাগারেই রাখা হবে।
এদিকে, আসামিকে আদালতে তোলার সময় বিপুল সংখ্যক কনটেন্ট ক্রিয়েটর আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা ও একদল শিক্ষার্থী ফাহিম চৌধুরীকে আটক করে। পরে তাকে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হলে সেখান থেকে গুলশান থানায় নেওয়া হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুরে সুবাস্তু মার্কেটের সামনে বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা মিছিল করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়।
এসময় মো. ইমরান (৩০) নামের এক ব্যক্তি কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে মিছিলের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে স্লোগান দিয়ে গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তিনি মারা যান।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলার আসামি হিসেবে ফাহিম চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


