জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার জবাবে “চূড়ান্ত পদক্ষেপ” নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো ইরানের সামরিক বাহিনী। গতকাল বুধবার এ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল।

এরপর ইরান হুঁশিয়ারি দেয় তারা কাতার, আমিরাত এবং সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। ওই সময় দেশগুলোর বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামো থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে নির্দেশনা দেয় ইরান।
এর কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারের রাস লাফফানে হামলা চালায় ইরান। যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের স্থান। হামলার পর সেখানে আগুন জ্বলে ওঠে।
তবে আগে থেকেই সবাইকে সরিয়ে নেওয়ায় সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এই হামলার এক ঘণ্টা যেতে না যেতেই আবারও কাতার সরকার সাধারণ মানুষকে হামলার ব্যাপারে সতর্কতা দেয়। ওই সময় সবাইকে নিরাপদে থাকার আহ্বান জানানো হয়।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাস লাফান এলাকায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র। ইরানের হামলার পর এই আগুনের ঘটনা ঘটে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্র: আলজাজিরা
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


