রাওয়ালপিন্ডির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) সোমবার ২৬ নভেম্বরের প্রতিবাদ-সংক্রান্ত মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় আলিমা খানের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

আদালত তার হাজিরা মওকুফের আবেদন খারিজ করে জানায়, অনুপস্থিতির পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ দেখানো হয়নি। শুনানি নেন এটিসি বিচারক আমজাদ আলী শাহ। বিচারক মন্তব্য করেন, আলিমার ‘দায়িত্বহীনতার’ কারণে সাক্ষীদের ৩৭ বার আদালতে হাজির হতে হয়েছে এবং এতে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে।
আদালত রাওয়াল সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশকে (এসপি) গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দেয় এবং মামলার পরবর্তী শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করে।
এর আগে একই মামলায় বারবার অনুপস্থিত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সর্বশেষ ২ ফেব্রুয়ারি তার আইনজীবী আদালতে জানান, ব্যাংক হিসাব ও জাতীয় পরিচয়পত্র আনফ্রিজ না হওয়া পর্যন্ত আলিমা আদালতে হাজির হবেন না। তবে আদালত পুলিশকে তাকে গ্রেফতার করে হাজির করার নির্দেশ দেয় এবং ব্যাংক হিসাব ও পরিচয়পত্র স্থগিতই থাকবে বলে জানায়।
গত বছরের অক্টোবর মাসে আদালতের নির্দেশে জাতীয় ডাটাবেস ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (নাদরা) আলিমার কম্পিউটারাইজড জাতীয় পরিচয়পত্র (সিএনআইসি) ও পাসপোর্ট ব্লক করে।
মামলাটি ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর গ্যারিসন শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে, যেখানে আলিমাসহ আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
২৬ নভেম্বর পিটিআই সমর্থকেরা জনসমাবেশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইসলামাবাদে প্রবেশ করে এবং ডি-চৌকের কাছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। টানা তিন দিনের এ কর্মসূচি সহিংস সংঘর্ষের পর হঠাৎ করেই শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এই বিক্ষোভের উদ্দেশ্য ছিল পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার মুক্তির দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। ৭১ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার-থেকে-রাজনীতিক ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দি। ২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি থেকে সন্ত্রাসবাদ পর্যন্ত একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।
সূত্র- জিও নিউজ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


