শেষ হয়েছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে বহুল আলোচিত ঐতিহাসিক গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। এখন দেশজুড়ে চলছে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট গণনা। এর মধ্যেই বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গ উঠে এসেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে।

বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘নির্বাচনের ফলাফল না আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা উচিত, যাতে বোঝা যায় কী ধরনের ম্যান্ডেট বা জনসমর্থন এসেছে। এরপর আমরা বিদ্যমান বিষয়গুলো পর্যালোচনা করব।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের (বাংলাদেশের) ব্যাপারে, আপনারা জানেন আমাদের অবস্থান কী। আমরা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে।
এদিকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জামায়াতে ইসলামীর ‘অগ্রাধিকার’ বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সব নাগরিক সমান এবং এখানে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কিছু নেই।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী। তাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা আমাদের অগ্রাধিকার।’
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর তথাকথিত সহিংসতার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবাই প্রথম শ্রেণির নাগরিক। এখানে আমরা কখনও ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজনকে সমর্থন করি না।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ভারত সফর প্রসঙ্গে জামায়াত আমির জানান, ভারত সফরের বিষয়ে তার কোনো দ্বিধা বা বাধা নেই। নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


