আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ায় ভারত ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কড়া সমালোচনা করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শশী থারুর ও ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী অলরাউন্ডার মদন লাল। কংগ্রেস নেতা শশী প্রশ্ন তুলেছেন আমরা কাকে শাস্তি দিচ্ছি—একটি দেশকে, একজন ব্যক্তিকে নাকি তার ধর্মকে।

অন্যদিকে ক্রীড়াঙ্গনে রাজনীতিকে জড়ানো উচিত নয় বলে জানান বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অলরাউন্ডার মদন। মুস্তাফিজের বাদ পড়া নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু না বললেও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক তীব্র সমালোচনা করেছেন।
সঙ্গে জানান, একজন ক্রিকেটারকে নিরাপত্তা দিতে না পারলে পুরো দলকে কিভাবে দেবে।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ভারত-শ্রীলঙ্কায় শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের এই বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে বিসিসিআইকে খোঁচা মেরেছেন আমিনুল। সংবাদ মাধ্যমকে বিএনপির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক বলেছেন, ‘মুস্তাফিজের সঙ্গে যা করা হলো তা কেবল খেলোয়াড়ি সিদ্ধান্ত নয়, এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়।
যদি একজন ক্রিকেটারকে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে নিরাপত্তা দিতে ভারত ব্যর্থ হয়, তবে আসন্ন বিশ্বকাপে যখন পুরো দল ভারতের মাটিতে খেলবে, তখন তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে?’
বিষয়টা নিয়ে বিসিসিআইয়ে সঙ্গে বিসিসির কথা বলা উচিত বলে মনে করেন আমিনুল। সাবেক জাতীয় দলের গোলরক্ষক বলেছেন, ‘সেই শঙ্কার জায়গাটা কিভাবে দ্রুত কাটিয়ে উঠবে, সেটা আমি আমাদের ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকারের যারা দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। আপনারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন, কিভাবে সুরাহা করা যায়।’
ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে কলকাতা নাইট রাইডার্স কেনার পর থেকেই বাংলাদেশি পেসারের খেলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিচ্ছিল।
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করা হচ্ছে দাবি করে অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু লোক, ধর্মীয় সংগঠন ও ধর্মীয় গুরুরা কলকাতার সমালোচনা করে আসছেন। বাঁ-হাতি পেসারকে নেওয়ায় ‘বিশ্বাসঘাতক’ গালিও শুনতে হচ্ছে দলটির মালিক শাহরুখ খানকে।
সেই চাপ সামলাতে না পেরে মুস্তাফিজকে বাদ দিতে আজ কলকাতাকে নির্দেশ দেয় বিসিসিআই। ইতিমধ্যে এক বিবৃতি দিয়ে বাংলাদেশি পেসারকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কলকাতাও।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


