দীর্ঘ ২৬ বছরের দাম্পত্যজীবনের পর দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিক বিজয়ের সংসারে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে। তার স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণলিঙ্গম তামিলনাড়ুর চেঙ্গলপট্টু আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআই–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিভোর্স পিটিশনে সঙ্গীতা বিজয়ের বিরুদ্ধে এক অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি বিচ্ছেদ চেয়েছেন। পাশাপাশি বৈবাহিক বাসভবনে থাকার অধিকার ও স্থায়ী খোরপোশের দাবিও জানিয়েছেন।
১৯৯৯ সালে বিয়ে করা এই দম্পতির দুই সন্তান—জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা। তবে এ বিষয়ে এখনো বিজয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিজয় ও সঙ্গীতার প্রেমকাহিনি একসময় ছিল রূপালি পর্দার গল্পের মতো। লন্ডনপ্রবাসী সঙ্গীতা নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে প্রিয় অভিনেতার সঙ্গে দেখা করতে চেন্নাইয়ে আসেন। সেখান থেকেই পরিচয়, পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। ধর্মীয় ভিন্নতা সত্ত্বেও তাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিন স্থিতিশীল ছিল বলে পরিচিত মহলে জানা যায়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজয়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সঙ্গীতার অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। বিশেষ করে বিজয়ের নতুন রাজনৈতিক দল তামিলগা ভেট্টি কাঝাগম–এর (টিভিকে) বিভিন্ন সমাবেশে তাকে দেখা না যাওয়ায় গুঞ্জন আরও জোরদার হয়।
রাজনৈতিক ও আইনি চাপ
ব্যক্তিগত জীবনের এই টানাপড়েনের পাশাপাশি বিজয় রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে এক রাজনৈতিক সমাবেশে পদপিষ্টের ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে সিবিআই–এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়।
অন্যদিকে, আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের আগে তার শেষ সিনেমা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে জন নায়গন। ছবিটির মুক্তিকে ঘিরেও ভক্তদের আগ্রহ তুঙ্গে।
এখন প্রশ্ন, ব্যক্তিগত জীবনের এই অস্থিরতা বিজয়ের রাজনৈতিক ও চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে কতটা প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই তাকিয়ে আছেন তার অনুরাগীরা।
সূত্র: এনডিটিভি
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


