শীত, গরম বা বর্ষাকাল—যেকোনো মৌসুমেই বিটরুটের শরবত শরীরকে দেয় সতেজতা ও পুষ্টির সমাহার। উজ্জ্বল লাল রঙের এই সবজিটি ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

১. আয়রনে সমৃদ্ধ:
বিটরুট হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে কার্যকর। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে এটি বিশেষভাবে উপকারী।
২. প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
বিটরুটে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে এবং ত্বককে করে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর।
৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা:
বিটরুটের নাইট্রেট রক্তনালী শিথিল করে, ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এটি একটি কার্যকর পানীয়।
৪. লিভার ডিটক্সে কার্যকর:
বিটরুট লিভারের কাজকে উন্নত করে, শরীরের ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে সাহায্য করে।
৫. হজমশক্তি বৃদ্ধি:
বিটরুটের ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং হজম শক্তি বাড়ায়।
৬. শক্তি বৃদ্ধি:
প্রাকৃতিক চিনি ও পুষ্টিগুণের কারণে বিটরুট শরবত শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, যা নিয়মিত ব্যায়ামকারীদের জন্য উপকারী।
৭. ত্বক ও চুলের যত্ন:
বিটরুট ভিটামিন সি, আয়রন ও ফোলেটে সমৃদ্ধ, যা ত্বক উজ্জ্বল রাখে, চুল পড়া কমায় এবং চুলের গোড়া মজবুত করে।
৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের ইমিউনিটি শক্তিশালী করে, সর্দি-কাশি ও অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


