জাহিদ ইকবাল : কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।”
তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো দলীয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


