অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হওয়ায় দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) সার উৎপাদনকারী কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উৎপাদন বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও বিভাগীয় প্রধান (প্রশাসন) আলমগীর জলিল।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ডিএপি কারখানাটি এই দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে উৎপাদন চালিয়ে আসছিল।
ফলে ওই দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ডিএপিএফসিএলের কাঁচামাল সরবরাহ পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। সংকট মোকাবেলায় মজুদ অ্যামোনিয়া দিয়ে কিছুদিন উৎপাদন চালু রাখা হলেও তা শেষ হওয়ায় উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে।
২০০৬ সাল থেকে এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে।
কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালু রাখা হয়েছিল, তবে তাও শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না হলে উৎপাদন পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এ পরিস্থিতিতে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা ও কৃষি উৎপাদনে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করে অ্যামোনিয়া উৎপাদন পুনরায় শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


