আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আপাতত ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এ কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।
নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই হতদরিদ্রদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।
তাদের বাইরে রেখেই ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এই ৬ শ্রেণির নাগরিক হলেন— ১. পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী থাকলে, ২. বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী, ৩. গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে, ৪. পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে, ৫. বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকলে, ৬. বড় ব্যবসা থাকলে।
এদিকে, হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত— এই তিন শ্রেণির সবাই আগেই কার্ড পাবেন। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে সরকার।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে এ নীতিমালা করেছে। এ কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে— ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। নীতিমালাটি খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


