যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে যে চীন এখন থেকে ইরান থেকে সরাসরি তেল নিতে পারবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে ইরানি তেল বহনকারী চীনা জাহাজগুলোকে আটকে দেওয়ার সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ইতোমধ্যে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজকে তাদের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে। এতে ইরানের তেল রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
স্কট বেসেন্ট বলেছেন, চীন ইরানের তেল কিনতে পারবে না এবং তারা চাইলে অন্য দেশ থেকে তেল নিতে পারে, কিন্তু ইরান থেকে নয়। তার দাবি, চীন বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে নির্ভরযোগ্য আচরণ করছে না এবং একদিকে তেল মজুত করছে, অন্যদিকে কিছু পণ্যের রপ্তানি সীমিত করছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তবে আসন্ন কূটনৈতিক সফরের ওপর এর প্রভাব নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জানিয়েছে যে গত কয়েকদিনে ইরান-সম্পর্কিত আটটি তেলবাহী জাহাজকে রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে সতর্ক করে তাদের পথ পরিবর্তন করতে বলা হয়েছে এবং সব জাহাজই সেই নির্দেশ মেনে নিয়েছে। কোনো সরাসরি সংঘর্ষ হয়নি।
United States Central Command জানিয়েছে, ইরানের উপকূল বা বন্দরগামী এবং সেখান থেকে বের হওয়া সব দেশের জাহাজের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে।
সব মিলিয়ে চীন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন উত্তেজনা বৈশ্বিক তেল বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


