বর্তমান সময়ে চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন না—এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। দূষণ, মানসিক চাপ, অনিয়মিত জীবনযাপন ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে চুলের স্বাস্থ্য দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। রাসায়নিক পণ্যের বদলে প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন নিতে চাইলে আমলকি হতে পারে নির্ভরযোগ্য সমাধান। প্রাচীনকাল থেকেই আমলকি ‘প্রাকৃতিক টনিক’ হিসেবে পরিচিত। চুলের যত্নে এর ভূমিকা সত্যিই উল্লেখযোগ্য।

আমলকির পুষ্টিগুণ
আমলকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন ও অ্যামিনো অ্যাসিড। এসব উপাদান মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়ায়, চুলের গোড়া শক্তিশালী করে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। ফলে চুল হয়ে ওঠে ঘন ও প্রাণবন্ত।
চুল পড়া কমাতে সহায়তা করে
নিয়মিত আমলকি ব্যবহার করলে চুলের শিকড় মজবুত হয়। এর ফলে ধীরে ধীরে চুল পড়ার সমস্যা কমে আসে। বিশেষ করে মানসিক চাপ বা হরমোনজনিত কারণে যাদের চুল পড়ে, তাদের জন্য আমলকি বেশ উপকারী।
অকালপক্ব চুল রোধে কার্যকর
আমলকি চুলের স্বাভাবিক কালো রং ধরে রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে অল্প বয়সে চুল পাকা হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যেতে পারে।
খুশকি ও রুক্ষতা দূর করে
আমলকির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ মাথার ত্বকের খুশকি, চুলকানি ও সংক্রমণ কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি চুল হয় নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল।
আমলকি ব্যবহারের উপায়
আমলকি তেল:
সপ্তাহে ২–৩ দিন মাথার ত্বকে আমলকি তেল ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ রেখে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আমলকি প্যাক:
শুকনো আমলকির গুঁড়া পানি বা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগান। ২০–৩০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
খাবার হিসেবে:
কাঁচা আমলকি, আমলকির রস বা শুকনো আমলকি নিয়মিত খেলে শরীরের ভেতর থেকে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।
প্রাকৃতিকভাবে চুলের যত্ন নিতে চাইলে আমলকি হতে পারে সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর সমাধান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


