আজকের আধুনিক জীবন শব্দে ভরা। বাইরে গাড়ি চলাচল, হর্নের আওয়াজ, ঘরে টেলিভিশন ও গান, আর সাথে মোবাইল ফোনের নিত্য-ধ্বনি—সব মিলিয়ে আমরা প্রায় কখনো নিঃশব্দ থাকি না। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, কিছু সময় নিঃশব্দ থাকা আমাদের শরীর ও মনের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

মনোযোগ বৃদ্ধি করে:
যত বেশি নিঃশব্দে সময় কাটাবেন, তত বেশি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দিনের শুরুতে মাত্র তিন মিনিট চুপচাপ বসে থাকলেই মনোসংযোগ বাড়ে এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
নতুন মস্তিষ্ক কোষের বৃদ্ধি:
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যোগব্যায়াম বা নীরব সময় কাটালে মস্তিষ্কে নতুন কোষ জন্মে। এর ফলে শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।
মানসিক চাপ হ্রাস পায়:
যখন মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়, তখন নিঃশব্দ কোনো জায়গায় বসে গভীর শ্বাস নিন। মাত্র কয়েক মিনিটেই স্ট্রেস কমে যাবে। শব্দময় পরিবেশ মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে, কিন্তু নৈঃশব্দ্য শান্তি প্রদান করে।
অনিদ্রা ও ক্লান্তি দূর করে:
নীরবতা ঘুমের সাইকেল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। দিনে কয়েক মিনিট মেডিটেশন বা নীরব সময় কাটালে অনিদ্রা, অবসাদ ও ক্লান্তি কমে যায়। ফলে মন ও শরীর উভয়ই সতেজ থাকে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে:
যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তারা নিয়মিত নীরব ও শান্ত পরিবেশে সময় কাটালে রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়। এটি শ্বাস-প্রশ্বাসকে সুস্থ রাখে।
হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
নীরব সময় মানসিক স্থিরতা বৃদ্ধি করে ও স্ট্রেস কমায়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং হার্টের ক্ষতির ঝুঁকি কমে।
পরামর্শ: প্রতিদিন কমপক্ষে ২–৩ মিনিট নিঃশব্দে সময় কাটানো শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে সহায়ক।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


