ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৭০ কোটি টাকার কাজের বিল বকেয়া রেখে গেছে আগের প্রশাসন। কোষাগারে অর্থ না থাকলেও প্রায় অগ্রিম ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে রাখা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

গণ-অভ্যুত্থান আর নির্বাচনের ডামাডোলে রাজস্ব আদায়ও তলানিতে। এমন পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনকে সচল রাখতে সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছেন নবনিযুক্ত দুই প্রশাসক।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকার দুই সিটি এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। অর্থাভাব থাকলেও সামনে বর্ষা আর ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবেলায় মশক নিধন ও শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে নির্দেশনা দেন সরকার প্রধান।
বৈঠক শেষে দক্ষিণ সিটির প্রশাসক গণমাধ্যমে জানান, আগের ওয়ার্ক অর্ডারের ভিত্তিতে কাজ করা অসম্ভব।
দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তহবিল থেকে ৪২৫ কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছে।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তহবিল এখন শূন্য।’ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ‘উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৫ কোটি টাকা তহবিল আছে। এ দিয়ে ২ মাস কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন দেওয়া যাবে। অথচ বিগত সরকারের আমলে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে গেছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
উত্তর ও দক্ষিণ উভয় সিটির প্রশাসকরা জানিয়েছেন, অর্থের টানাপোড়েন থাকলেও জনস্বার্থে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সিটি করপোরেশনে খালের পানি প্রবাহ সচল করতে শিগগিরই শুরু হবে খনন কাজ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


