রাজধানীর ৬৮টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল নিতে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় তাদের ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত এসব পাম্পে জ্বালানি নিতে হলে ব্যবহারকারীদের অবশ্যই ফুয়েল পাস অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে তালিকার প্রথম ১৮টি স্টেশনে প্রাইভেট কারের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য পাম্পগুলো হলো— আসাদগেটের সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশন, তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জের নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার, মিরপুর দারুস সালামের খালেক সার্ভিস স্টেশন, মিরপুর রোডের তালুকদার ফিলিং স্টেশন, শাপলা চত্বরের করিম অ্যান্ড সন্স, মহাখালীর ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ ফিলিং স্টেশন, উত্তরা বিমানবন্দর এলাকার মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন।
এ ছাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকার সততা অ্যান্ড কোম্পানি, মিরপুর ইব্রাহিমপুরের দিগন্ত ফিলিং স্টেশন, তাজউদ্দীন সরণির কামাল ট্রেডিং এজেন্সি, গাবতলীর এসপি ফিলিং স্টেশন, তেজগাঁওয়ের সিটি ফিলিং স্টেশন, উত্তরা সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশন, মিরপুর-২-এর স্যাম অ্যাসোসিয়েটস, কালশী রোডের সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনও তালিকায় রয়েছে।
পুরান ঢাকার হাটখোলা রোডের এ হাই অ্যান্ড কোং, মিরপুর দারুস সালাম রোডের ডেনসো ফিলিং স্টেশন, উত্তরা আজমপুরের কসমো ফিলিং স্টেশন, আব্দুল্লাহপুরের উত্তরা ফিলিং স্টেশন, যাত্রাবাড়ী কাজলার হক ফিলিং স্টেশন, ডেমরার সিটি ফিলিং স্টেশন ও রায়েরবাজারের সাদেক ফিলিং স্টেশনও এর অন্তর্ভুক্ত।
উত্তরায় জি এফ ট্রেডিং (ডিএল ফিলিং স্টেশন), জুরাইন এলাকার এস আহমেদ ফাউন্ডেশন সিএনজি স্টেশন, বনশ্রীর কিকো ও সিকদার ফিলিং স্টেশন, সেনানিবাসের সিএসডি ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর সিএম ফিলিং স্টেশন, কেরানীগঞ্জের আলহাজ্ব নূর ফিলিং স্টেশনও তালিকায় রয়েছে।
ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও মাতুয়াইল এলাকায় একাধিক পাম্প যেমন—সান্টু, রাজধানী, মুক্তি, রাসেল ফিলিং স্টেশন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তুরাগ, পল্লবী, মুগদা, রামপুরা, কল্যাণপুর, মতিঝিল, নীলক্ষেত, বাড্ডা, শ্যামলী, গাবতলী, হাজারীবাগ, ধানমন্ডি ও রমনা এলাকার বিভিন্ন পাম্পও তালিকায় যুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়ানো, অপচয় কমানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে ডিজিটাল নজরদারিতে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জ্বালানি গ্রহণের তথ্য সহজে পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


