রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি-ঘাটে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ২৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২১ জনের মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯ জন শিশু রয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লালমিয়া সড়কের মৃত ইসমাঈল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১) এবং ছেলে আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), সোহেল মোল্লার মেয়ে সোহা আক্তার (১১), সজ্জনকান্দার মৃত ডা. আবদুল আলীমের মেয়ে জহুরা অন্তি (২৭), কাজী মুকুলের মেয়ে কাজী সাইফ (৩০), কেবিএম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭), দাদশী রামচন্দ্রপুরের সোবাহান মণ্ডলের মেয়ে লিমা আক্তার (২৬) প্রভৃতি। এছাড়া ছোটখাটো শিশু ও নারীসহ অন্যান্য যাত্রীও মারা গেছেন।
বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে ছেড়ে আসে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরি ঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। স্থানীয়রা ১০-১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও বাকিরা নিখোঁজ ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, বাসটিতে প্রায় ৪০–৫০ জন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজ শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাতভর উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও এখনও কিছু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার কাজ ও নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


