স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে টিকার কোনো সংকট নেই এবং ভবিষ্যতেও স্টক ঘাটতির সম্ভাবনা নেই। এ জন্য তিনি ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), গ্যাভিসহ আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বুধবার (৬ মে) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে হাম-রুবেলা টিকা হস্তান্তর শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে ১৫ লাখ ডোজ হাম টিকা এসেছে। পাশাপাশি ৯ হাজার ডোজ টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহেই নিয়মিতভাবে নতুন টিকার চালান দেশে আসবে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে পৌঁছাবে। এসব টিকা দ্রুত বিতরণ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি পর্যাপ্ত বাফার স্টক গড়ে তোলা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত মাসের ৪ তারিখে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। শিগগিরই শতভাগ লক্ষ্য পূরণ সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
হাম প্রতিরোধ কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, টিকা গ্রহণের পর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঢাকায় একটি বড় অডিটোরিয়ামকে অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা যাবে। চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে টিকা সংকটের অন্যতম কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুতের অভাব এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি। তবে সরকারের উদ্যোগে সেই পরিস্থিতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


