বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলস্টেশনগুলোতে সীমিত পরিসরে তাৎক্ষণিক টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে জরুরি প্রয়োজনেও যাত্রীরা বৈধভাবে শেষ মুহূর্তে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটিকে কেন্দ্র করে ঈদযাত্রায় টিকিটের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। রেলের বর্তমান সক্ষমতা যেখানে মাত্র প্রায় ৩ শতাংশ, সেখানে চাহিদা ১০ শতাংশেরও বেশি। এই অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলা এবং টিকিট কালোবাজারি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে এবার স্টেশনভিত্তিক নজরদারি আরও কঠোর করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কমলাপুরসহ প্রধান স্টেশনগুলোতে বিনা টিকিটে কোনো যাত্রী প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে স্টেশনের অপেক্ষাকক্ষের জায়গা বৃদ্ধি, ট্রলি ও হুইলচেয়ার সেবা সচল রাখা এবং ওয়াশরুমের মানোন্নয়ন করা হয়েছে।
ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে রেলের সীমিত সক্ষমতার মধ্যেও সর্বোচ্চসংখ্যক কোচ ও ইঞ্জিন মেরামত করে সচল করা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। চাহিদাসম্পন্ন রুটগুলোতে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে এবং কিছু ক্ষেত্রে ‘স্ট্যান্ডিং টিকিট’ দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে।
এছাড়া বিমানবন্দর রেলস্টেশনে যাত্রীদের চাপ সামলাতে অন্তত ২০০ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি আধুনিক অপেক্ষাকক্ষ নির্মাণ করা হচ্ছে। কোনো ট্রেন দেরিতে চললে যাত্রীদের আগেই এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার রেলকে আধুনিক গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংকট থাকলেও বিদ্যমান সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে এবারের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



