বিশেষ প্রতিনিধি : ঢাকা–১৮ আসনের খিলক্ষেত ডুমনী এলাকার নূরপাড়ায় দল থেকে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা দিদার আহমেদ মোল্লা এখনও দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ওয়াজ মাহফিলসহ বিভিন্ন জনসমাগমমূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন—এমন অভিযোগে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিষয়টিকে গুরুতর হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।

দলীয় ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত ২৬ জানুয়ারি সোমবার খিলক্ষেত ডুমনীর নূরপাড়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এনসিপি–জামায়াত জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার আহমেদ মোল্লার নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
এর পরদিন ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার ঢাকা–১৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীরের নির্দেশে দিদার আহমেদ মোল্লার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ বাতিল করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সহিংসতার অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, বহিষ্কারের পরও দিদার নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে, বিশেষ করে ওয়াজ মাহফিলে প্রকাশ্যে অংশগ্রহণ করছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং দলীয় সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করার অভিযোগও তুলছেন স্থানীয়রা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বহিষ্কারের পরও কেউ যদি দলীয় পরিচয়ে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পারেন, তাহলে তা শুধু দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নই নয়—নির্বাচনী পরিবেশের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ভোটারদের মধ্যে ভুল বার্তা যেতে পারে এবং উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা বাড়ে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, নির্বাচনকালীন সময়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে না আনলে সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


