ফরিদপুর-২ আসনের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নে বড় ধরনের রাজনৈতিক রদবদলের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ইউনিয়ন সভাপতি মতিউর রহমান, সহসভাপতি বাদল মুন্সীসহ শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঘারুয়া ইউনিয়নের গঙ্গাধরদী গ্রামে মতিউর রহমানের নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় ফরিদপুর-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল-এর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে নতুন দলে তাদের যোগদানের ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে এক বছর আগে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় নির্বাচন করার দায়িত্ব দেন। তিনি জানান, প্রথমে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন।
বাবুল বলেন, “আমি নেতাকে বলেছিলাম, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। সামনে যখন সুদিন আসছে, তখন আমাকে আবার আওয়ামী লীগের অধ্যুষিত এলাকায় যুদ্ধ করতে পাঠানো হচ্ছে কেন?”
এর জবাবে তারেক রহমান তাকে বলেন, “পলি মাটিতে সবাই ফসল ফলাতে পারে, কিন্তু পাথর কিংবা মরুভূমিতে ফসল ফলাতে পারাই প্রকৃত কর্মীর পরিচয়।”
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশ নিয়েই তিনি জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং প্রতিদিনই বিএনপিতে নতুন মানুষ যোগ দিচ্ছেন। যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি তাকে আবেগাপ্লুত করে তুলছে।
শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, “মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। অনেক সময় এই ভালোবাসার কারণে রাতে ঘুমাতে পারি না। ফজরের নামাজের পর ঘুমাতে হয়। আমি এভাবেই মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই।”
এই যোগদানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


