স্পোর্টস ডেস্ক : আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন নামিবিয়ার ব্যাটার জন নিকোল লফটি-ইটন। এক বছরের ব্যবধানে দ্রুততম সেঞ্চুরির নতুন এই ইতিহাস গড়লেন নামিবিয়ার এই ব্যাটার।

নামিবিয়ার ব্যাটার জন নিকোল লফটি-ইটন

Advertisement

এক বছর আগে ঠিক এই দিনেই দ্রুত সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়েন নেপালের কুশল মাল্লা। ঠিক এক বছর পরে তার চোখের সামনে সেই বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দেন জান নিকোল লফটি-ইটন।

মঙ্গলবার ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটার।

জান নিকোল লফটি-ইটন ব্যাটিংয়েই নামেন ম্যাচের ১১তম ওভারে। সেখান থেকে ৩৬ বলে ১১ চার ও ৮ ছক্কায় ১০১ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেন তিনি। তার সেঞ্চুরিতে ভর করে ৪ উইকেটে ২০৬ রানের বড় সংগ্রহ জমা করে নামিবিয়া। পরে নেপালকে ১৮৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে ২০ রানের জয় তুলে নেয় তারা।

ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও অবদান রাখেন ইটন। ডানহাতি স্পিনে ৩ ওভারে ২৯ রান খরচ করে শিকার করেন ২২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। ফলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধে এশিয়ান গেমসের ম্যাচে মাত্র ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করেন নেপালের কুশল মাল্লা। সেই ইনিংসে তিনি ৮টি চার ও ১২টি ছক্কার সাহায্যে ৫০ বলে ১৩৭ রানে করে অপরাজিত থাকেন। আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে দ্রুততম শতরান করার পথে মাল্লা একযোগে ভেঙে দিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার, ভারতের রোহিত শর্মা ও চেক প্রজাতন্ত্রের সুদেশ বিক্রমাশেখরার যৌথ নজির।

আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে সব থেকে কম বলে সেঞ্চুরি-

১. জান নিকোল লফটি-ইটন (নমিবিয়া)-৩৩ বল।
২. কুশল মাল্লা (নেপাল)-৩৪ বলে।
৩. ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা)-৩৫ বল।
৪. রোহিত শর্মা (ভারত)-৩৫ বল।
৫. সুদেশ বিক্রমাশেখরা (চেক প্রজাতন্ত্র)-৩৫ বল।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.