জুমবাংলা ডেস্ক : ব্যাংকক সফরের দিনই দেখা হলো বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
বিমসটেক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বুধবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় থাই সরকারের দেয়া অফিশিয়াল নৈশভোজে পাশাপাশি চেয়ারে বসেন দুজন।
ব্যাংককের হোটেল সাংগ্রিলার সেই নৈশভোজে মোদি-ইউনূসের মধ্যে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি আন্তরিক বাক্য বিনিময় হয়। হাসিনা সরকার পতনের পর প্রতিবেশী দেশদুটির সরকারপ্রধানদের এটাই প্রথম সাক্ষাৎ।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেয়াকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি টানাপোড়েন চলছে দুদেশের সম্পর্কে, ফলে বিমসটেকের এই ডিনারের দৃশ্য বেশ আলোচিত এখন। এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমধ্যামসহ দুদেশের গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে এই ছবি।
সম্মেলনের শেষদিন শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন এই দুই নেতা। একইদিন সম্মেলনের মূল ইভেন্টে দুটি চুক্তি সইয়ে অংশ নেবেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।
আরও পড়ুন: চাকরির পেছনে না ঘুরে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ড. ইউনূসের
এদিকে থাইল্যান্ডে ব্যস্ত সময় কাটছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। ব্যাংককে পৌঁছেই তিনি হাজির হন বিমসটেক ইয়াং ফোরামের আলোচনায়। একক বক্তা হিসেবে তরুণদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ড. ইউনূস।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন মূল ইভেন্টের কোনো কর্মসূচি না থাকলেও, থাই সরকারের বিশেষ অনুরোধে এই সেশনে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি নতুন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখান। বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে বিশ্ব বদলানো সম্ভব নয়। তাই পদ্ধতি পরিবর্তনের জন্য তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান তার।
এ সময় তিনি তরুণদের চাকরি না করে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, নতুন সভ্যতা গড়তে হলে সামাজিক উদ্যোক্তা হতে হবে।
এর আগে বিমসটেক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান থাইল্যান্ডের উর্ধতন কর্মকর্তারা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।