শীতের বিদায়ের পর আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনে অনেকের ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথার মতো সমস্যার প্রকোপ দেখা দেয়। বিশেষ করে ঠান্ডা লাগার পর অনেকেই গলার ভেতরে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। কারও কারও ক্ষেত্রে খাবার বা পানি গিলতেও বেশ কষ্ট হয়। সাধারণত টনসিলে সংক্রমণ হলে এমন উপসর্গ দেখা দেয়। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সের মানুষই এ সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।

ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, এমনকি অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলে অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
লবণ মেশানো গরম পানিতে কুলকুচি
গলা ব্যথা শুরু হলে হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার কুলকুচি করা যেতে পারে। লবণের অ্যান্টিসেপটিক গুণ সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। এটি টনসিলের ফোলা ও ব্যথা উপশমে কার্যকর এবং গলায় জমে থাকা জীবাণু কমাতেও সহায়ক।
আদা চা
এক কাপ পানিতে এক চামচ কুচি করা আদা ও দুই চামচ চা পাতা দিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এরপর ছেঁকে গরম গরম পান করুন। দিনে দুই থেকে তিনবার এভাবে আদা চা পান করলে উপকার পাওয়া যায়। আদায় থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহনাশক উপাদান সংক্রমণ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে এবং গলার ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
মধু দিয়ে গ্রিন টি
এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ গ্রিন টি ও এক চামচ মধু মিশিয়ে ১০–১২ মিনিট রেখে দিন বা হালকা ফুটিয়ে নিন। ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে পান করুন। গ্রিন টির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে এবং মধু গলা নরম রাখতে সহায়তা করে। দিনে তিন থেকে চার কাপ পান করলে আরাম মিলতে পারে।
তবে উপসর্গ যদি দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়, কিংবা জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


