যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখনো ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব অক্ষত আছে। দেশটিতে শিগগিরই সরকার পতনের কোনো ঝুঁকি নেই বলে উঠে এসেছে মার্কিন গোয়েন্দাদের এক মূল্যায়নে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য দিয়েছে।

সূত্রগুলোর একজন বলেছেন, ধারাবাহিকভাবে আসা বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেগুলো থেকে জানা যাচ্ছে, শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কোনো তাৎক্ষণিক আশঙ্কা নেই। সরকার এখনো দেশের জনগণের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।
সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে কথা বলার অনুমতি না থাকায় সূত্রগুলো নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি। তারা জানিয়েছে, গত কয়েকদিন আগে গোয়েন্দা তথ্যের সবশেষ মূল্যায়ন তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দ্রুত অভিযান শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যদি ইরানের কঠোরপন্থী নেতৃত্ব শক্ত অবস্থানেই থেকে যায়, তাহলে যুদ্ধের একটি গ্রহণযোগ্য সমাপ্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে।
গোয়েন্দা তথ্যগুলো দেখাচ্ছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলার প্রথম দিনে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও ইরানের ধর্মভিত্তিক নেতৃত্বের মধ্যে এখনো দৃঢ় ঐক্য বজায় আছে। একজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যেও আলোচনা হয়েছে। তারা স্বীকার করেছেন যে, চলমান যুদ্ধ ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে- এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
সূত্রগুলো জোর দিয়ে বলেছে, মাঠের পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে। ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গতিবিধিও পরিবর্তিত হতে পারে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের মূল্যায়ন নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের দপ্তর এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)। হোয়াইট হাউসও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


