যুদ্ধবিরোধী মার্কিন থিংক ট্যাংক কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পার্সির মতে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ধারণা ছিল- ইরানের বড় বড় নেতাদের একের পর এক হত্যা করলে ইরান একসময় ভয়ে আত্মসমর্পণ করবে।

তিনি বলেন, ইরান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এটি একটি ভুল হিসাব।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ত্রিতা পার্সি বলেন, ট্রাম্প ভেবেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী নিয়ে আসলে তা ইরানকে এতটাই আতঙ্কিত করবে যে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে। কিন্তু তিনি এটি বুঝতে পারেননি যে, ‘এই বিশেষ ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্রটি যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়’।
এর কারণ হলো, ইরান সরকার বিশ্বাস করে যে তারা একটি যুদ্ধ মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারবে, কিন্তু নতি স্বীকার করলে তাদের শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।
পার্সির মতে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি যে, দু-একজন নেতাকে সরিয়ে দিলেই তারা দমে যাবে না। তাদের আত্মসমর্পণ করাতে আত্মসমর্পণ করাতে হলে পুরো দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তিনি আরো বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন জানে না যে এটি করতে কত সময় লাগবে, এমনকি ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন আদৌ সম্ভব কি না। আর এই সময়ের মধ্যে ইরানের কৌশল হলো- যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সৈন্য, বিশ্ব অর্থনীতি, প্রতিবেশী দেশ এবং বৈশ্বিক বাজারের ওপর যতটা সম্ভব ক্ষয়ক্ষতি সাধন করা; যাতে এই চেষ্টা করাটা ট্রাম্পের জন্য খুব ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়ায়।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


