ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করে যারা তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে, সেই দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, আরব বা ইউরোপের যে কোনো দেশ যদি নিজেদের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে এবং দুই দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে, তবে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচলের ‘পূর্ণ অধিকার ও স্বাধীনতা’ পাবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট। মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। তাই এটি এখন বৈশ্বিক বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এক সংকটময় পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। মূলত দুটি কারণে দাম বেড়েছে—হরমুজ প্রণালি প্রায় অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার প্রশাসন হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়টি ভাবছে।
ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট এই প্রণালি এখনো খোলা আছে, তবে এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টি হোয়াইট হাউস বিবেচনা করছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম প্রায় ১০০ ডলারের বেশি অবস্থান করছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


