মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইরান ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং গুচ্ছ বোমাবাহী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেডে ছোট ছোট বিস্ফোরক বোমা রাখা থাকায় তারা ইসরায়েলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরায়েলের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার সকালের হামলায় আহত একজন ব্যক্তি মঙ্গলবার মারা গেছেন। এর ফলে এই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুইজনে। নিহতরা হলেন রুস্তম গুলমোভ এবং আমিদ মুর্তুজোভ, যাদের উভয়ের বয়স ৪০-এর কোঠায় এবং তারা পেতাহ তিকভা শহরের বাসিন্দা। হামলার সময় তারা ইয়েহুদ শহরের একটি নির্মাণস্থলে কাজ করছিলেন।
উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, নিহতরা কোনো বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন না। একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান, অপরজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। তবে নির্মাণস্থলের কয়েক ডজন শ্রমিক বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে ঢুকে প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হোম ফ্রন্ট কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল শাই ক্লাপার জানান, শ্রমিকরা সঠিকভাবে নিরাপদ স্থানে গিয়ে রক্ষা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “নির্দেশনা মেনে চলায় অনেকের জীবন বেঁচে গেছে।”
হামলার সময় অর ইয়েহুদা শহরের একজনও গুরুতর আহত হন। ইয়েহুদ শহরের একজন ক্রেনচালক হারেৎজ পত্রিকাকে জানান, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় শ্রমিকরা অত্যন্ত বিপদের সম্মুখীন ছিলেন। তিনি নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, “আমি ক্রেন থেকে নেমে নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়েছিলাম। সঠিক সময় নেওয়া পদক্ষেপই জীবন বাঁচিয়েছে।”
শাই ক্লাপার আরও জানান, হামলার পর তিনি গুচ্ছ বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি অ্যাপার্টমেন্ট পরিদর্শন করেন এবং ইসরায়েলিদের জরুরি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বললেন, “নির্দেশনা মেনে চললে জীবন বাঁচানো সম্ভব। ওই পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ায় কেউ আহত হয়নি। এটি প্রমাণ করে গুচ্ছ বোমার ধ্বংসক্ষমতা কতটা ভয়ংকর হতে পারে।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


