অন্তর্বর্তী সরকার জ্বালানি খাতের দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তা আরও প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে জানিয়েছেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতকে লুণ্ঠন ঠেকানোর স্বার্থে মানুষকে একতাবদ্ধ হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাপা আয়োজিত জ্বালানি রূপান্তরে বিনিয়োগ চুক্তি ও জনস্বার্থ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, আমদানি, ঋণ ও বিদেশি কোম্পানি নির্ভরতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব দেশে জ্বালানি ঝুঁকি তৈরি করেছে। নতুন সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে কিনা সেটি বড় পরীক্ষা।
তিনি আরও বলেন, সংকট প্রতিরোধে জাতীয় সক্ষমতা ও প্রতিষ্ঠান তৈরি করা জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকার যেসব জনস্বার্থবিরোধী চুক্তি করেছে তা প্রকাশ করতে হবে। জ্বালানি খাতের দায়মুক্তি আইন স্থগিত হলেও প্রকল্পগুলো অব্যাহত রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকারকে গ্যাস অনুসন্ধান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নিতে হবে।
রাজনীতিবিদ রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, জ্বালানির মজুত নিয়ে যাতে কেউ সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। নিজস্ব গ্যাস বিদ্যুতের দিকে নজর না দিয়ে আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারের উচিত দেশের নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোকপাত করে বিকল্প পথ খুঁজে বের করা।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবেশ রক্ষা করে সমগ্র জ্বালানি ব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে হবে এবং জনবান্ধব জ্বালানি নিশ্চিত করতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


