রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর কারাবন্দি থাকার পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও নতুন একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হওয়ায় কারামুক্ত হতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা পৌনে ১২টার দিকে তাকে রাজবাড়ী সদর আমলী আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ নতুন একটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানো) আবেদন করে। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী আবেদনটি মঞ্জুর করলে শুনানি শেষে তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট দায়ের করা জিআর নং-৩৩২/২৪ মামলার দ্বিতীয় আসামি হিসেবে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার একটি এলাকা থেকে কাজী কেরামত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর দায়ের হওয়া জিআর নং-৩৩৪/২৪ মামলাতেও তাকে আসামি করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর মধ্যে জিআর ৩৩৪/২৪ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর এবং জিআর ৩৩২/২৪ মামলায় গত ৪ জুন জামিন লাভ করেন তিনি। এসব মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৯ জুন তার কারামুক্ত হওয়ার কথা ছিল।
তবে মুক্তির প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই পুলিশ তাকে জিআর ৩৬৫/২৪ নম্বর আরেকটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করায় তার মুক্তি আটকে যায়।
রাজবাড়ী জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম আশা জানান, হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর ৯ জুন কাজী কেরামত আলীর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, আগামী রোববার তার জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করা হবে।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, নতুন একটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানোর পর আদালতের নির্দেশে কাজী কেরামত আলীকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



