নির্বাচনী প্রচারণায় ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সমর্থন আদায় করাকেই নিজেদের “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং” বলে উল্লেখ করেছেন তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এ আয়োজিত নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন-এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল—দলটি ২০০-এর বেশি আসন (বিএনপি ২০৯টি ও শরিকরা ৩টি) পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে; এত বিপুল আসন পেতে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে কি না।
জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং তাদের নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসাই ছিল তাদের প্রকৃত কৌশল। তাঁর ভাষায়, মানুষের সমর্থন আদায় এবং একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য, এবং এতে তারা সফল হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো ইতিবাচক লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিশ্রম অপরিহার্য।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি ইংরেজিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। পরে বাংলায় বক্তব্য দেন এবং দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল—যেমন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ—সহ সব অংশগ্রহণকারী দলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।
এর আগে একই অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান। তাঁর দাবি, আসন্ন সময়ে তিনি দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
মির্জা ফখরুল আরও মন্তব্য করেন, এ নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং দেশের জনগণও ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে। তিনি এটিকে উদার গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


