মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলীয় শোক চলাকালীন সময়ে মানিকগঞ্জে একটি সংগঠনের নির্বাচনে বিজয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মানিকগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস ও অটোটেম্পু ওনার্স গ্রুপের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় শনিবার (৩ জানুয়ারি)। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ শহরের ড্রিম সিটি হোটেল মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে।
নির্বাচনে সভাপতি পদে আব্দুর রাজ্জাক লিটন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে পীর বাবুল হোসেন নির্বাচিত হন। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ফারুক মোল্লা, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাসার, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সিহাব উদ্দিন সুমন, দপ্তর সম্পাদক পদে জিয়াউর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মো. সিদ্দিক জয় লাভ করেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন শফিকুল ইসলাম ফিরোজ, দ্বীন ইসলাম, ওসমান গনি, তপু রায়হান অজয়, ছবুর খাঁন ও মো. রতন।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মানিকগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নাসির উদ্দীন যাদু। কমিশনার ছিলেন সবুজ মিয়া ও মিজানুর রহমান।
তবে ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ীদের গলায় ফুলের মালা পরানো ও আনন্দ-উল্লাসের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই শোকের সময় এ ধরনের আচরণকে অনভিপ্রেত ও দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন।
এ বিষয়ে সভাপতি নির্বাচিত আব্দুর রাজ্জাক লিটনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক সিহাব উদ্দিন সুমন বলেন, “যথাযথ নিয়ম মেনেই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে নেত্রী খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের পর গলায় ফুলের মালা পরা বা আনন্দ প্রকাশ না করার বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে নিষেধ ছিল। অনেকেই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে এমনটি করেছেন।”
এ ঘটনার পর দলীয় শোকাবহ সময়ে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


