কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে হামলার জন্য ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছে ইরান। দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই দাবি জানায়। তবে কুয়েত এই হামলার জন্য শুরু থেকেই ইরানকে অভিযুক্ত করে আসছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, কুয়েতের বেসামরিক অবকাঠামোতে এই ধরনের ‘অবৈধ ও অপ্রথাগত’ হামলা মূলত ‘জায়োনিস্ট শাসনের’ জঘন্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। এই অমানবিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তেহরান বলছে, এর পেছনে ইসরায়েলের হাত রয়েছে।
একই বিবৃতিতে ইরান প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে জানায়, এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলো এখন তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।
এদিকে কুয়েতি কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় গত শুক্রবার দুপুরে একটি বিদ্যুৎ ও লোনা পানি শোধনাগার হামলার শিকার হয়। যদিও এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এর আগে শুক্রবার ভোরে কুয়েতের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার ‘মিনা আল-আহমাদি’-তে ড্রোন হামলা চালানো হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘কুনা’ জানিয়েছে, ড্রোন হামলার পর শোধনাগারের বেশ কয়েকটি ইউনিটে আগুন ধরে যায়। কুয়েত এই পরিস্থিতির জন্য ইরানকে দায়ী করলেও তেহরান পাল্টা ইসরায়েলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


