ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিয়েছেন জাপার স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাপার কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ ভাসানীর নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকার কয়েক শ নেতা-কর্মী রুমিন ফারহানার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হাজির হয়ে তাকে সমর্থন দেন।
এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নেতা-কর্মীদের হুমকি-ধমকির অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জাপা মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা। এই ঘোষণার পর সোমবার রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে রুমিন ফারহানার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এসে তাকে সমর্থন দেন জাপার নেতা-কর্মীরা।
আবদুল হামিদ ভাসানী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটওয়ারীর নির্দেশে এখানে হাঁস প্রতীকের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিয়েছি। এখানকার মানুষ রুমিন ফারহানার কাছে নিরাপদ। আমাদের নৈতিক সমর্থন রয়েছে হাঁসের প্রতি। এখানকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাঁস প্রতীকে ভোটে দেবে বলে আমাদের প্রতীয়মান হচ্ছে।’
রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘শেষ মুহূর্তে এসে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কালো টাকা ছড়াচ্ছেন। তারা পেশিশক্তি প্রদর্শন করছেন। তারা আমাদের লোকজনকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
জিয়াউল হক মৃধাসহ ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে। এর মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগে জামায়াতের প্রার্থী মোবারক হোসেন দলীয় সিদ্ধান্তে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের মধ্যে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


