স্পোর্টস ডেস্ক : মেসি-রোনালদোর মাঝে কে সেরা, এই বিতর্ক নতুন করে উস্কে দিলেন ডেভিড বেকহ্যাম। ইংলিশ কিংবদন্তি ফুটবলারের মতে- ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নন, লিওনেল মেসিই সেরা। নিজের মালিকানাধীন ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে মেসি যোগ দেয়ায় উচ্ছ্বসিত বেকহ্যাম।

Advertisement

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেজর লিগ সকারে পাড়ি জমিয়েছেন লিওনেল মেসি। পিএসজি ছেড়ে আবারও আর্জেন্টাইন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের বার্সেলোনায় ফেরার সম্ভাবনা ছিল তীব্র। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত ইন্টার মায়ামিকে বেছে নিয়েছেন এই সুপারস্টার। তার এমএলএসে যোগদানে বড়সড় ভূমিকা রেখেছেন ইন্টার মায়ামির কো-ওউনার ডেভিড বেকহ্যাম। প্রিয় ফুটবলারকে দলে পাওয়ায় উচ্ছ্বাসের শেষ নেই ইংলিশ কিংবদন্তি ফুটবলারের।

বেকহ্যাম বলেন, ‘আমাদের টার্গেট ছিল সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে আসা। এটা সবসময় সম্ভব না। কিন্তু, আমরা তা করতে পেরেছি। যখন যোগাযোগ শুরু করেছিলাম, তখন তার অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি ছিল। কিন্তু, আমরা ধৈর্য্য ধরেছি। ধৈর্য্যের ফলও পেয়েছি। টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে মেসি যখন ঘোষণা দিল যে মায়ামিতে আসছে, আমরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম।’

গেল ১৬ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে মায়ামির দর্শকদের সামনে আসেন মেসি। তার পদার্পণে ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলের ডিআরভি পিএনকে স্টেডিয়াম হয়ে ওঠে উৎসবের মঞ্চ। সমর্থকদের এমন আনন্দ দেখে বেকহ্যাম বলেন- ৭ বারের ব্যালন ডিঅর জয়ী তারকাই ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় তারকা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একজনকে পেয়েছি, যে গতবছরই বিশ্বকাপ জিতেছে। সে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সর্বকালের সেরাও বলতে পারি।’

বেকহ্যামের দাবি, মেসির আনভেলিং দেখেছেন সারাবিশ্বের প্রায় সাড়ে ৩ বিলিয়ন দর্শক। যেখানে রোনালদোর সৌদি ক্লাব আল নাসরে আনভেলিংয়ের দর্শক ছিল প্রায় ৩ বিলিয়ন। যদিও বেকহ্যামের দাবিকে মানতে নারাজ রোনালদো ভক্তরা। কিন্তু, সেসব আপাতত কানে তুলছেন না সাবেক ইংলিশ ফুটবলার। তার দৃষ্টিতে এলএমটেনের জনপ্রিয়তাই বেশি। তিনিই সেরা।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.