দীর্ঘ এক মাস ধরে জনবল সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) কার্যক্রম সীমিত ছিল। স্টেশনে তখন মাত্র তিনজন মহাকাশচারী কাজ করছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি নতুন চারজন মহাকাশচারী যোগ হওয়ায় আবার পূর্ণ দলে কাজ শুরু হয়েছে।

ভোরবেলা ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে নাসা ও স্পেসএক্স যৌথ মিশন ‘ক্রু-১২’-এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। প্রায় ৩০ ঘণ্টা মহাকাশে ভেসে থাকার পর শনিবার মহাকাশ স্টেশনে ক্যাপসুলটি নিরাপদে সংযুক্ত করা হয়। আইএসএস পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় ঘুরছে।
এই মিশনে নাসার জেসিকা মেয়ার ও জ্যাক হ্যাথাওয়ে, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ইএসএ) সোফি অ্যাডেনো এবং রাশিয়ার মহাকাশচারী আন্দ্রেই ফেদিয়ায়েভ অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের আগমনের ফলে আইএসএসে কর্মরত সদস্য সংখ্যা আবার সাতজন হয়েছে।
এর আগে ‘ক্রু-১১’ মিশনের একজন সদস্য অসুস্থ হওয়ায় স্টেশন ছেড়ে আগের দলকে সময়মতো হ্যান্ডওভার করা সম্ভব হয়নি। জরুরি পরিস্থিতির কারণে নতুন দলের সঙ্গে সরাসরি দায়িত্ব হস্তান্তর হয়নি, তবে মাটিতে থাকা পুরনো দল নতুনদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেছে।
নাসা জানিয়েছে, পূর্ণ সদস্য থাকার মাধ্যমে স্টেশন সচল রাখা এবং গবেষণার কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব। এই নতুন ক্রু প্রায় আট মাস আইএসএসে থাকবেন এবং রক্তনালির আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা, নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণা, ও চাঁদে অবতরণের অনুশীলন করবেন। এর মাধ্যমে হঠাৎ মাধ্যাকর্ষণ পরিবর্তনের মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কে প্রভাব বোঝা যাবে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই গবেষণা ভবিষ্যতে চাঁদ এবং আরও গভীর মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


