
গ্রেপ্তার হওয়া ইসরাতুল আলম কিরন (৪৩) আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের জনশক্তি ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে খিলক্ষেত থানার এসআই মো. আবু বকর সিদ্দিক সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পূর্ব নামাপাড়া এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানে ইসরাতুল আলম কিরনকে আটক করা হয়। পরে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ইসরাতুল আলম কিরনের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখীল উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বর্তমানে খিলক্ষেতের পূর্ব নামাপাড়ার আল আহসান প্যালেসে বসবাস করছিলেন।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব আল হোসাইন বলেন, ‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। রাজনৈতিক পরিচয় বা পদ-পদবি দেখে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও আইনগত ভিত্তির ওপর অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খিলক্ষেত এলাকাকে অপরাধী ও পলাতক আসামিমুক্ত রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ করলে রাজনৈতিক পরিচয় ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।’
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে কোন মামলায় বা কী অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
আরও পড়ুনঃ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন
এদিকে গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় কিছু সময় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খিলক্ষেত থানা সূত্র বলছে, চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



