নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, গেজেট নোটিফিকেশন হয়ে গেছে। জাতীয় সংসদে ২৯৭টি আসনে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নাম প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয় সংসদ সদস্য হিসেবে।
সেটি এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে পরশু ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৭ তারিখ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি। কারণ কর্ম দিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে।
তিনি আরও বলেন, শপথ গ্রহণের পরে বিভিন্ন এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন। যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থভাজন।
রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপরে একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সেই সময়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
শপথ পড়ানোর বিষয়ে সচিব জানান, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন তাহলে সরকার থেকে কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।
শপথ অনুষ্ঠানে অতিথি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ কম বেশি এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


