মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় নাগরিকদের জন্য জরুরি বার্তা দিয়েছে ভারত সরকার। আতঙ্কিত হয়ে জ্বালানি মজুত না করতে এবং গুজবে কান না দিতে সতর্ক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ইরান সংশ্লিষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহে চাপ তৈরি হলেও দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার।
ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা সুজাতা শর্মা বলেন, গুজবে বিশ্বাস না করে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জ্বালানি কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।
তবে সরকারি আশ্বাসের বিপরীতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। অনেক জায়গায় তেল পাম্পে ভিড় এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আশীষ সিং জানান, তাকে প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নিতে হয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হয়েছে। প্রণালিতে চলাচল সীমিত হওয়ায় তেলের দাম বেড়ে গেছে।
তবে এ পরিস্থিতির মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ নয়। যেসব দেশকে বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বা বিশেষ অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তাদের জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারছে।
তিনি জানান, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক, ভারতসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ ইতোমধ্যে প্রণালি ব্যবহার করেছে। বাংলাদেশও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই সুযোগ পাচ্ছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তবে যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করছে, তাদের জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


