জাহিদ ইকবাল : পঞ্চগড় সদর উপজেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সদর উপজেলা সভাপতি আবু দাউদ প্রধান শুক্রবার সকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়ের তালা খোলার ঘোষণা দেন। ওই কার্যালয়টি ৫ আগস্টের পর থেকেই বন্ধ ছিল। আবু দাউদ প্রধান ঘোষণা দেন, তিনি ভবিষ্যতে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের পাশে থাকবেন।

স্থানীয়রা এই ঘটনাকে রাজনৈতিক সহনশীলতা ও দুই দলের মাঠপর্যায়ের সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখলেও, সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন—আইনগতভাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা একটি দলের অফিস খোলা কতটা যৌক্তিক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এই ঘটনা দ্রুত ভাইরাল হয় এবং তুমুল প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি’র নেতৃত্বের সঙ্গে ঐতিহ্যগতভাবে পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক কখনোই একরকম ছিল না। পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ শাসন সময়ের স্মৃতি এখনও অনেকের মনে তাজা, যখন উভয়পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ও নানা ধরণের অত্যাচার–নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। বিশেষ করে স্থানীয় বিএনপি নানা পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের উপর বিভিন্ন ধরনের নজরদারি, আটক ও হয়রানি এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছিল যা সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে আরও বিতর্কিত করেছে।
রাজনীতিবিদরা বলছেন, এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে আবু দাউদ প্রধান মূলত একটি রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন—“আগের ভুলকে ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে।” তবে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে এই ধরণের পদক্ষেপে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হবে তা সময়ের ব্যাপার।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এটি স্বাভাবিকভাবে কিছু উত্তেজনা কমাতে পারে, তবে সম্ভাব্য বিভ্রান্তি ও সমালোচনাও তৈরি করবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


