রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে ফরিদপুরের ডুবুরি ইউনিট কাজ করছে, আর ঢাকার ডুবুরি ইউনিট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ফায়ার সার্ভিসের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, এ পর্যন্ত মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এর মধ্যে বাস থেকে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে আটজন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং পাঁচজন শিশু রয়েছে। শিশুদের মধ্যে চারজন ছেলে ও একজন মেয়ে।
উদ্ধারকারীদের তথ্যমতে, ফায়ার সার্ভিস ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং স্থানীয় জনতা উদ্ধার করেছে আরও দুইজনকে।
এছাড়া নৌবাহিনীর ডুবুরিরা একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর রাতেই পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারকারী যান ‘হামজা’র ক্রেনের সহায়তায় পানির নিচ থেকে তোলা হয়। বাসটি উদ্ধারের পর থেকেই মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
ঘটনার শুরুতেই স্থানীয় লোকজন পদ্মা নদী থেকে দুই নারীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়।
পরে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই দুই নারী প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। ফায়ার সার্ভিসও প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। রাজবাড়ী জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


