তুলনামূলক বেশি মুনাফা এবং মাসিক মুনাফা উত্তোলনের সুবিধার কারণে পরিবার সঞ্চয়পত্র ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন। নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী পাঁচ বছর মেয়াদি এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে বার্ষিক মুনাফার হার দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যা বর্তমানে চালু থাকা সঞ্চয়পত্রগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

সঞ্চয়পত্র হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত একটি বিনিয়োগ প্রকল্প। যেখানে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে নির্ধারিত সময় পরপর মুনাফা পাওয়া যায়। সঙ্গে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে যে টাকাটা বিনিয়োগ করা হয়েছে তাও উত্তোলন করা যায়।
তবে দেশে জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের অধীন যত ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর ২০০৯ সালে পরিবার সঞ্চয়পত্র চালু করে।
যত টাকায় কেনা যায় পরিবার সঞ্চয়পত্র
এই সঞ্চয়পত্র ১০ হাজার টাকা, ২০ হাজার টাকা, ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকা ও ১০ লাখ টাকায় কেনা যায়। এ ক্ষেত্রে পরিবার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ ৫ বছর।
যেভাবে মিলবে
জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো ছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোসহ ডাকঘর থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনার পাশাপাশি নগদায়ন করা যায়।
পরিবার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে যে পরিমাণ মুনাফা
১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে। তবে আগের মতো সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের দুটি ধাপ রাখা হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকারী। আর দ্বিতীয় ধাপটি হলো ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরের বিনিয়োগকারী।
মুনাফা কমানোর ফলে এখন পবিবার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ থাকলে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।
| সঞ্চয় স্কিমের নাম | মেয়াদ (উত্তীর্ণ হলে) | ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত | ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি |
| মুনাফার হার | |||
| পরিবার সঞ্চয়পত্র | ১ম বছরান্তে | ৮.৮৩% | ৮.৭৪% |
| ২য় বছরান্তে | ৯.২৩% | ৯.১২% | |
| ৩য় বছরান্তে | ৯.৬৪% | ৯.৫৩% | |
| ৪র্থ বছরান্তে | ১০.০৮% | ৯.৯৬% | |
| ৫ম বছরান্তে | ১০.৫৪% | ১০.৪১% | |
ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


