চাঁদের দূর পাশে ঘুরতে গিয়ে পৃথিবীর সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন চার নভোচারী। মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’ চাঁদের বিশাল অংশের আড়ালে চলে যাওয়ায় এই সময় বেতার সংকেত আর পৃথিবীতে পৌঁছায় না।

এই মুহূর্তটি আগে থেকেই পরিকল্পনার অংশ ছিল। তবু সংকেত হারিয়ে গেলে সব সময়ই উদ্বেগ তৈরি হয়। কারণ এই সময়ে পৃথিবী থেকে কেউ তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারে না। গত অর্ধশতকেরও বেশি সময়ের মধ্যে মানুষ এত দূরে এবং এতটা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় খুব কমই গেছে।
চার নভোচারী এখন চাঁদের দূর পাশ ঘুরে পৃথিবীর দিকে ফেরার পথে রয়েছে। তাদের চারপাশে দেখা যাচ্ছে খাড়া দেয়ালের মতো গহ্বর, আঘাতে তৈরি প্রাচীন পাহাড় এবং কোটি কোটি বছরের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতবিক্ষত উঁচু ভূমি। এসব দৃশ্য এত দিন মূলত রোবটের পাঠানো মানচিত্রেই দেখা গেছে।
এই ৪০ মিনিটে পৃথিবী থেকে মহাকাশযানটিতে কেউ কিছু করতে পারেনি। মহাকাশযানের নিজস্ব কম্পিউটারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে। এটি নির্ধারিত সময়ে ইঞ্জিন চালু করে ওরিয়নকে দীর্ঘ পথ ঘুরে পৃথিবীমুখী পথে নিয়ে আসবে।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঠিক আগে হিউস্টন থেকে নভোচারীদের বলা হয়, ‘অন্য পাশে দেখা হবে।’ এর জবাবে পাইলট ভিক্টর গ্লোভার বলেন, ‘আমরাও পৃথিবীর অন্য পাশে দেখা করব।’ বিদায়ের আগে তিনি আরও বলেন, চাঁদ থেকে পৃথিবীর সবার জন্য আমাদের ভালোবাসা রইল। তিনি ভালোবাসাকেই পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রহস্য বলে উল্লেখ করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


