প্রবাসীদের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের আইনি অনিশ্চয়তা দূর করতে নতুন আইন প্রণয়ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে বসবাসরত কোনো বিদেশি নাগরিক ইচ্ছাপত্র (উইল) রেখে না গেলে এবং বৈধ উত্তরাধিকারী না থাকলে তার সম্পদ দাতব্য ওয়াক্ফ হিসেবে ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি নাগরিকের উত্তরাধিকারী না থাকলে তার আর্থিক সম্পদ দাতব্য ওয়াক্ফ হিসেবে ঘোষণা করা হবে এবং তা একটি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। দেশটির মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যেসব বিদেশি নাগরিকের উত্তরাধিকারী নেই, আমিরাতে থাকা তাদের সম্পদ দাতব্য ওয়াক্ফ হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন নিশ্চিত করতে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে থাকবে।’
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আইনি অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। এই নিয়ম কেবলমাত্র বৈধ উত্তরাধিকারী ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হবে। তবে কারও বৈধ ইচ্ছাপত্র থাকলে কী হবে–সে বিষয়ে নতুন আইনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
তবে এক আইন বিশেষজ্ঞ গালফ নিউজকে জানিয়েছেন, আইনটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। আপাতত আমিরাতে ইচ্ছাপত্র নিয়ে যে আইন জারি আছে, সেটাই কার্যকর থাকবে। এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়া হয়নি।
এর আগে উত্তরাধিকারীহীন বিদেশিদের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের সম্পদ নিয়ে দীর্ঘ আইনি জটিলতা তৈরি হতো। এতে ব্যাংক, বাড়িওয়ালা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হতো।
নতুন এই বিধানের ফলে সে জটিলতা কাটবে। এর ফলে আইনানুগ ও দায়িত্বশীলভাবে সম্পদ ব্যবস্থাপনার পথ খুলে যাবে। একই সঙ্গে এটি বাসিন্দাদের জন্য বৈধ ইচ্ছাপত্র প্রস্তুত করা এবং উত্তরাধিকারীদের আইনগতভাবে নথিভুক্ত করার গুরুত্বও তুলে ধরছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


