ধরা পড়লে সহায়তা করার জন্য চুরি করতে যাওয়ার আগে বিস্তারিত তথ্য পুলিশকে জানিয়ে যায় চোর। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে এক গরুচোর ধরা পড়ার পর তার মোবাইলফোনে এমন চাঞ্চল্যকর আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ধরা পড়া চোরও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে উপজেলার দশানি গ্রামের মানিক মিয়ার গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়াকে আটক করা হয়। আলালের বাড়ি থেকে গরু উদ্ধারের পর তার ব্যবহৃত মোবাইলফোন জব্দ করা হয়। ফোনে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে আলালের কথোপকথনের নানা আলামত পান তারা।
আটক আলাল মিয়া স্থানীয়দের কাছে স্বীকার করেন, তিনি একসময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তখনই এএসআই মাসুদ তাকে ধরতে গেলে তাদের মধ্যে ফোনে যোগাযোগ শুরু হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে টাকা দিতেন এবং বিনিময়ে সহযোগিতা পেতেন।
আলাল আরও দাবি করেন, গরু চুরির আগেও তিনি এএসআই মাসুদকে কল করেন। চুরি করতে যাচ্ছেন বলে জানিয়ে অসুবিধা হলে সহযোগিতার আশ্বাস নেন।
তবে আটকের পর আলালের এসব দাবির বিষয়ে এএসআই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি তাকে না চিনেই ইমোতে কথা বলেছি, এটা সত্য। তার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, চুরির ঘটনায় আলাল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। আমাদের এক স্টাফের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমরা শুনেছি। অসৎ উদ্দেশ্যে যোগাযোগের প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র ও ছবি : এশিয়া পোস্ট
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


